নওগাঁ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত হওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের ভাবনা।

Ad

নওগাঁ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত হওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের ভাবনা।



বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত হওয়া সম্প্রতি কোনো নতুন ঘটনা নয় প্রতি বছর এই হত্যাকান্ড চালায় বিএসএফ । নওগাঁ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত হওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের ভাবনাগুলো তুলে ধরা হলো 

১। “কেউ পানি চাইলে যদি না দিই তাহলে কেমন হয় ”, বাণীতে হিউম্যানিটি সরকার।

২। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ সর্বক্ষন খুব ভয়ে থাকে ।কখন না ওপারা থেকে গুলি এসে গায়ে বিথে। আর বিপরিত দিকে ওইপারের মানুষ গুল প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু কাজের জন্য আমাদের এই পারে ঘুরে বেড়ায়। প্রতিবেশির সম্পর্ক তো এমন হওয়া উচিত নয়।

৩। ভারত নয় বরং ঘৃণা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি। প্রতিনিয়ত ভিনদেশী হায়েনাদের দ্বারা এতো হত্যার পরেও যারা সামান্য প্রতিবাদ টুকু করার সাহস রাখেনা। 

৪। গত তিন দিনে যে কয়জন বাংলাদেশীকে বন্ধুরাষ্ট্রের বিএসএফ হত্যা করেছে সে বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ করার জন্য একটি কমিটি করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করতে একটি পরিকল্পনা গ্রহণের লক্ষ্যে একটি উপকমিটি গঠনের বিষয়টি সরকার দ্রুততার সাথে ভাববে বলে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। আশা করা যায় এইবার বন্ধুরাষ্ট্র বুঝবে কত ধানে কত চাউল।

৫। একজন সব সময় আর্শিবাদের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকলে সেখানে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হয় না। আমাদের সমস্যাটা খুব গভীরে। কোন কিছু করতে চাইলেও করা যায় না। এর পরিবর্তন একদিনে হবে না। আর হতে হলেও সেটা একটা বিপ্লব বা গণ অভূথানের মাধ্যমে হতে হবে। দেখা যাক কী হয় ভবিষ্যতে। আশাকরব সরকার দৃদৃঢ়তার সাথে এই রকম হত্যাকাণ্ডের বিরোধীতা করবে ও কী করে এমন হত্যা কান্ড বন্ধ করা যায় তা নিয়ে দুই দেশের আলোচনায় ভূমিকা রাখবে ও কার্যকরী সমাধানের পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্তে উপনীত হবে।

৬। দাসত্বের প্রতিফলন যা হবার তাই হচ্ছে, ভারত ও তার দোসরদের কারণে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে। নব্য চেতনাবাজরা ভেবে দেখবেন,এই ঘটনাটা যদি পাকিস্তান সীমান্তে ঘটতো,তাহলে কয়টা বিএসএফের লাশ এতক্ষণে পরে যেতো।
দাসত্বের নামে আমাদের বিজিবির অস্ত্রকে ভোঁতা করে দেয়া হয়েছে।

৭। ভারতী বিএসএফ এই অন্যায় করার সাহস পায় কি করে? বিজিবিকে আপনাদের করের টাকা দিয়ে চাকরিতে রাখা হয়েছে। পরে পরে ঘুমানোর জন্য নয়। তাদের বিরুদ্ধে জবাব দেয়া দরকার। বাঙালী জাতি শুধু মার খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে না। তাদের উচিত জবাব দেয়া দরকার। তারা বেশি বাড়াবাড়ি করেই যাচ্ছে।

৮। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার রুপ সীমান্তের মানুষ দেখতেছে।

৯। কি দরকার ছিলো গরু নিয়ে আসার, বাংলাদেশে কি গরুর অভাব পড়ছে।
অবৈধ ভাবে বর্ডার ক্রসিং করলে ব্যক্তিকে আইনের আওয়াতায় আনা প্রয়োজন কিন্ত খুন করা কোন আইনে বলা হয়েছে। বাংলাদেশের উচিৎ সীমান্তে কড়া নিরাপত্তা জারি করা যাতে এইভাবে তাজা প্রানগুলো ঝরে না যায়।

১০। আমরা পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা লাভ করলেও ভারতের কাছে আমরা অাজও পরাধীন ।আর কত দিন ! আমরা কি কখনোই ভারতের সামনে মাথা উচু করে দাঁড়াতে পারবোনা ।
কি হবে এই অর্জিত স্বাধীনতা দিয়ে ?

১১। যারা ফেসবুকে প্রতিবাদ করছেন তাদের উদ্দেশ্য বলছি, এ ভাবে প্রতিবাদ না করে সবাই মিলে ভারতীয় দূতাবাসে আগুন জ্বালিয়ে দিন তাহলে বুঝবো যে আপনারা প্রকৃত দেশ প্রেমিক এবং একাত্তরের চেতনায় বিশ্বাসী।

১২। বিচলিত হবেন না । আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পাশের দেশ নোয়াখালীতে নাটক দেখতে গেছেন। 

১৩। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজিবি তোমাদের উপর গজব দেওয়ার দরকার নাই ! আল্লাহর গজব তোমাদের উপর এমনেই পড়বে । তোমাদের সামনে এদেশের মানুষ মারে আর তোমরা লাশ এনে কবর দাও।

১৪। ভারতের কাছে বাংলাদেশী দের জীবনের মুল্য আছে বলে মনে করিনা,
ওরা এ যাবতকাল বাংলাদেশের বহু নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিৎ।

১৫। গরু চোর এর জন্য মায়া কান্না করে কি লাভ এই শালাদের জন্য গরু পালন করে মুনাফা পাইনা গুলি করে মেরে ফেলা কোন দেশের আইনে নাই কিন্তু  এটা নিঃসন্দেহে মানবাধিকার লংঘন।

১৬। বাংলাদেশ সীমান্তে যে লোকগুলোকে বিএসএফ সদস্যরা গুলি করে মারছে তাদের জন্য কি সরকারের কিছুই করার নেই? আমরা কোন দেশে বসবাস করছি যেখানে অন্য দেশ অকারণে মানুষ মারছে অথচ সরকার নিরব ভূমিকায়? তার মানে কি দাড়ায় ?

১৭। দেশের কোন সংঘটন, কোন প্রতিষ্ঠান, কোন বিশ্ববিদ্যালয় এই হত্যার প্রতিবাদে কিছুই বলছে না, কিছুই করছে না ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য